সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

রুদ্র ম আল-আমিন এর কবিতা মনে পড়ে সেই ভোরবেলা

            " মনে পড়ে সেই ভোরবেলা "
                              রুদ্র ম আল-আমিন

মনে পড়ে ,সেই ভোরবেলা,
মিষ্টি মিষ্টি প্রেম,
কত কথা,কত গল্প,  কত কি লিখি,
তোমার কি মনে পড়ে?
দূর্বাঘাসের জলে দুষ্টুমিটির ছলে
শিশির ভেজা পা,
আলতো ভেজা হাত আলতো ছোয়া প্রাণে।
তখুন পাখিরা সবে গান শেষে
ঘুরে ফেরে নীড়ে।
জলের ধারা প্রাণে বহিছে
কি হবে সকাল হলে তাঁর তরে।
জোয়ারে মেঘ গগণ ছুয়েছে তখুন
সব্ধে নামে তবু যেন পাটে।
দূরগামিনী পথ হেরেছে রাত্রি বেলা খেয়া
আলতো প্রাণে ঘনমেঘে বইছে ধ্রুবা
খবরাখবর ছাড়া।
শেষ প্রহরে রঞ্জনারে নিলেম যখন তুলে
আপন মানূষ  পরমানুূষে,
ডাকছে তাঁরে বেলা,।
কুর্তাধারী নিলাম নামে রাখছে যারে ঘরে
এই বেলাটুক থাকনা সেথা
আবার সকাল হবে।
লাল পরনে টিপলাগিয়ে দেখা যদি হবে
ওর কথাবা নাইবা বলি
শিশির মেরে আসবি কি না তটে।
March 12.2018

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

রুদ্র ম আল-আমিন এর কবিতা, মাতাল

  " মাতাল "       রুদ্র ম আল-আমিন যদি আজি শিক্ষিত না হয়ে মূর্খ হতাম,,, তবে প্রতিরাতে মদ খেয়ে মাতলামি করিয়া যেতাম। রাত্রী হলেই হয়তো বুদ হয়ে থাকিতাম তোদের মাঝে। গায়ের গায়ের কাপড় ...

উপ-৮

১০৫ ইয়াজ্জাদের এখন সুসময়, লোকজনের কাছে সময়টা এখন মুক্তিযুদ্ধ, আর ওদের জন্য এই সময়টা হচ্ছে আখের গোছানো।এরা নদীপথে নৌকা নিয়ে ওৎপেতে বসে থাকে,অপরিচিত  নৌকায় লোকজন দেখলেই তাহাদের সর্বশ্য কাড়িয়া নেয়।  রমা,বদর এবং টুনি রাত্রিতে খাওয়া দাওয়া শেষে মায়ের মুখে  নানার বাড়ি মাটিকাটার গল্প শুনতেছিল।হঠাৎই বাড়ির বাহিরে বাজানের কন্ঠ শোনা যায়।টুনি বলল, ঃমা- বাজানে আইছে। বদর দ্রত ঘর থেকে বের হল। বাজানের নিকট দাঁড়াতেই সে কহিল, ঃ মাটিকাটা আর মানুষ নাইরে বাবা, গ্রাম ফাঁকা অইয়ে গেছে।পাকবাহিনী শয়ে শয়ে মানুষরে গুলি কইরা মারতাছে।  টুনি বাবার হাত ধরে এগিয়ে চলল বাড়ির উঠোনে।এরপর, মা বদনায় পানি দিল অজুর জন্য। রমা কোন কথা কহিতে সাহস পাইতেছিল না।  বাবার জন্য গামছা নিয়ে তাহার পাশেই দাঁড়িয়ে রইল।অজু শেষ করেই জিজ্ঞেস করিল, ঃতুমি এহানে কবে আইছো?তোমার মায় বাপে কোনে?তোমগোর গেরাম তো শুনছি জ্বালায়ে দিছে। ঃ  ওনারা ভারতে গেছে, কিন্ত আমি যাই নাই।  টুনির মা কহিল, ঃমাইয়াডা গেল না, ওর বাপ মায় আইছিল। ঃহ-- মায়া ছারুন যায় না। বদরে অনেক বছর ওগো ওহানে থাকলো, আমাগো চাইতে অরাই  বেশী আপন অইয়া গেছে অর।...