সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

একটা পাখি

একটা পাখি

Date: October 16, 2019Author: Rudro M Al-Amin 0

“একটা পাখি ”
রুদ্র ম আল-আমিন

একটা পাখি ছিলো মনের মধ্যে
যত্ন করিতাম তাঁরে মনের মত করে 
সকাল বেলা প্রথম প্রহরে
তাঁরে উড়িয়ে দিলাম মনের মত করে।পাখিটির পায়ে গুঙুর রয়েছে পরে।
সাদা কালো নীল, আরো হরেক রংয়ে এসেছিলো,
এমনি পৌষের রাতে
উড়ছে হয়তো আজি মুক্তমনে। 
আমায় ছেড়ে কেমন আছে পাখিটি বনে বনে।
অনেককাল কেটে গেল তাঁর সাথে,,,
মুক্ত পাখিটির মুক্তি মেলে,
বন্দিনী আমি করিনি ব’লে, 
বডড অভিমানী সে কদিন ধরে। 
খাচার দুয়ার খুলেছি তোবুও সে র’য়ে যায় বহুক্ষন ধরে, 
আমার কি সাধ্য আছে? 
কোন বনে তারে রাখিব যতনে যতনে। 
খাচার মধ্যে উরন্ত লাফালাফি বকাবকি
কত করেছি দুজন মিলে,
কেন এত কথা আজ মনে পড়ে?
পাখিটির গায়ে ম্যাগনেটাইট বেধেছি বলে
কোথায় আছে দেখিতে পারি
আমি কি মুক্তি দিয়েছি তাঁরে?
এ কেমন ভয়ানক চিৎকারে মরে
আমি কি দেখিতে পারি, এত এত সুখ আমায় ছেড়ে।
একটা পাখি ছিলো মনের মধ্যে,,
কেন সে উরে গেল
খাচা ছেড়ে আমায় একা করে?
আমি কি ধরিতে পারিব আর কোনক্ষনে?

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ঝরাপাতায় তুমি

ঝরাপাতায় তুমি        রুদ্র ম আল-আমিন বাতায়নে শুনি মর্মর পাতার ধ্বনি তবু রাত জেগে  একলা অপেক্ষায় থাকি, যদি এসে তুমি ফিরে যাও মোর জানালার গ্রিল খানি ধরি। সারা দিনমান ভরি বাঁকের বাড়িটির চারধারে দেখি সখিদের নিয়ে করো কানাকানি । মনাদের বাড়ি একটা উল্কির রুমাল রেখেছো আমায় দেবার তরি ভালবাসো ইহা তো বলতেই পারো না তবে কেন এবাড়ি ওবাড়ি রোজই বলো, আমি তাঁর ঘরে যাবো রাত্রি দ্বিপ্রহর হোলি। রাত গভীরে হঠাৎ হঠাৎ পায়ের আওয়াজ শুনি, মনে হয়, এই বুঝি তুমি এলে না হলে, আর কে-বা আসবে মোর বাড়ি। আলগোছে দোর খুলিয়া দেখি নিমতলে পরে থাকে ক’টা ঝরাপাতার ধ্বনি। উঠোনে দাড়াইয়া আনমনে চেয়ে থাকি তোমার জানালার ধারি বন্ধ কপাট কবু খুলতে দেখিনি মোর পায়ের আওয়াজ শুনি। ভালবাসি ভালোবাসি, কবে শুনবো তোর মুখখানা ধরি আমি যে রোজ অপেক্ষায় থাকি। মনা! আমি কি ফের ফিরে পাবো, তাঁর ভালবাসাখানি? November 14. 2020 Advertisements

উপ-৮

১০৫ ইয়াজ্জাদের এখন সুসময়, লোকজনের কাছে সময়টা এখন মুক্তিযুদ্ধ, আর ওদের জন্য এই সময়টা হচ্ছে আখের গোছানো।এরা নদীপথে নৌকা নিয়ে ওৎপেতে বসে থাকে,অপরিচিত  নৌকায় লোকজন দেখলেই তাহাদের সর্বশ্য কাড়িয়া নেয়।  রমা,বদর এবং টুনি রাত্রিতে খাওয়া দাওয়া শেষে মায়ের মুখে  নানার বাড়ি মাটিকাটার গল্প শুনতেছিল।হঠাৎই বাড়ির বাহিরে বাজানের কন্ঠ শোনা যায়।টুনি বলল, ঃমা- বাজানে আইছে। বদর দ্রত ঘর থেকে বের হল। বাজানের নিকট দাঁড়াতেই সে কহিল, ঃ মাটিকাটা আর মানুষ নাইরে বাবা, গ্রাম ফাঁকা অইয়ে গেছে।পাকবাহিনী শয়ে শয়ে মানুষরে গুলি কইরা মারতাছে।  টুনি বাবার হাত ধরে এগিয়ে চলল বাড়ির উঠোনে।এরপর, মা বদনায় পানি দিল অজুর জন্য। রমা কোন কথা কহিতে সাহস পাইতেছিল না।  বাবার জন্য গামছা নিয়ে তাহার পাশেই দাঁড়িয়ে রইল।অজু শেষ করেই জিজ্ঞেস করিল, ঃতুমি এহানে কবে আইছো?তোমার মায় বাপে কোনে?তোমগোর গেরাম তো শুনছি জ্বালায়ে দিছে। ঃ  ওনারা ভারতে গেছে, কিন্ত আমি যাই নাই।  টুনির মা কহিল, ঃমাইয়াডা গেল না, ওর বাপ মায় আইছিল। ঃহ-- মায়া ছারুন যায় না। বদরে অনেক বছর ওগো ওহানে থাকলো, আমাগো চাইতে অরাই  বেশী আপন অইয়া গেছে অর।...

তোমার জন্য চিঠি

তোমার জন্য চিঠি,আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থ। অমর একুশে গ্রন্থমেলা২০২১, বইটি পাওয়া যাবে মৃদুল প্রকাশন স্টলে।              —- রুদ্র ম আল-আমিন