সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

দুঃস্বপ্ন


          দুঃস্বপ্ন
রুদ্র ম আল-আমিন


চারদিকে নিঃস্তব্দ,
ঘনকুয়াশায় চাঁদরে মোরা আমার পৃথিবী।
আমার প্রেমিকাও
আমার দিকে একবার মাত্র ফিরে তাঁকাল।
তাঁর ছলছল চোখের ভাষা,
আমার বুঝতে বাকি রইল না যে, আজ আমার অন্তিমকাল।
আমার দৌড়াবার ইচ্ছা নাই, কেন না, ওর শরীর ও মন দুটোই আমায় ভালবাসে।
আমায় উবু ক'রে সোয়নো হল
আরেকজন বলল না-না-না, আমি সীমার হবো
তরবারি এনেছিস?
হা-হা-হা-হহহ-----দু'ইন্চির ব্লেড, রোজই সিজার হয়, জানিস না?
হু-- কিন্ত ওর শিরদ্বারা খুব শক্ত যে।
রক্তের বেগ আমার প্রচন্ড বেড়ে যাচ্ছে
আমি অনেকটাই শুন্যে অবতরণ করছি।
শরীরের লোনা ঘাম ঝরঝর করে ঝরছে।
চোখের সামনে ভেসে আসছে----
অধরার মুখ,
অধরার শরীরের গন্ধ।
আমার দু''পা দুদিকে, হাত দুটোও শক্ত করে ধরা
মিনিটখানিকের মধ্যেই
আমি এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যাচ্ছি।
কিন্ত
আমার প্রিয় অধরাকে আজ ফেলে যেতে হচ্ছে।
চোখের কোণে টিপটিপ করে জল
এরপরই
কন্ঠনালি দুভাগ হল
ফিনকি দিয়ে রক্ত ঝরছে, 
অধরাকেও দেখতে পাচ্ছি না আর।
আল্লাহু-আক্-বার-আল্লাহু-আক্-বার- আস্-সাদু-আ------
ঘুম ভেংগে গেল,
অধরা,অধরা,অধরা,,
অধরা!স্বপ্ন যদি সত্যি হয়, মনে হয় খুব বিপদে আছি?
October 22.2019

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ঝরাপাতায় তুমি

ঝরাপাতায় তুমি        রুদ্র ম আল-আমিন বাতায়নে শুনি মর্মর পাতার ধ্বনি তবু রাত জেগে  একলা অপেক্ষায় থাকি, যদি এসে তুমি ফিরে যাও মোর জানালার গ্রিল খানি ধরি। সারা দিনমান ভরি বাঁকের বাড়িটির চারধারে দেখি সখিদের নিয়ে করো কানাকানি । মনাদের বাড়ি একটা উল্কির রুমাল রেখেছো আমায় দেবার তরি ভালবাসো ইহা তো বলতেই পারো না তবে কেন এবাড়ি ওবাড়ি রোজই বলো, আমি তাঁর ঘরে যাবো রাত্রি দ্বিপ্রহর হোলি। রাত গভীরে হঠাৎ হঠাৎ পায়ের আওয়াজ শুনি, মনে হয়, এই বুঝি তুমি এলে না হলে, আর কে-বা আসবে মোর বাড়ি। আলগোছে দোর খুলিয়া দেখি নিমতলে পরে থাকে ক’টা ঝরাপাতার ধ্বনি। উঠোনে দাড়াইয়া আনমনে চেয়ে থাকি তোমার জানালার ধারি বন্ধ কপাট কবু খুলতে দেখিনি মোর পায়ের আওয়াজ শুনি। ভালবাসি ভালোবাসি, কবে শুনবো তোর মুখখানা ধরি আমি যে রোজ অপেক্ষায় থাকি। মনা! আমি কি ফের ফিরে পাবো, তাঁর ভালবাসাখানি? November 14. 2020 Advertisements

উপ-৮

১০৫ ইয়াজ্জাদের এখন সুসময়, লোকজনের কাছে সময়টা এখন মুক্তিযুদ্ধ, আর ওদের জন্য এই সময়টা হচ্ছে আখের গোছানো।এরা নদীপথে নৌকা নিয়ে ওৎপেতে বসে থাকে,অপরিচিত  নৌকায় লোকজন দেখলেই তাহাদের সর্বশ্য কাড়িয়া নেয়।  রমা,বদর এবং টুনি রাত্রিতে খাওয়া দাওয়া শেষে মায়ের মুখে  নানার বাড়ি মাটিকাটার গল্প শুনতেছিল।হঠাৎই বাড়ির বাহিরে বাজানের কন্ঠ শোনা যায়।টুনি বলল, ঃমা- বাজানে আইছে। বদর দ্রত ঘর থেকে বের হল। বাজানের নিকট দাঁড়াতেই সে কহিল, ঃ মাটিকাটা আর মানুষ নাইরে বাবা, গ্রাম ফাঁকা অইয়ে গেছে।পাকবাহিনী শয়ে শয়ে মানুষরে গুলি কইরা মারতাছে।  টুনি বাবার হাত ধরে এগিয়ে চলল বাড়ির উঠোনে।এরপর, মা বদনায় পানি দিল অজুর জন্য। রমা কোন কথা কহিতে সাহস পাইতেছিল না।  বাবার জন্য গামছা নিয়ে তাহার পাশেই দাঁড়িয়ে রইল।অজু শেষ করেই জিজ্ঞেস করিল, ঃতুমি এহানে কবে আইছো?তোমার মায় বাপে কোনে?তোমগোর গেরাম তো শুনছি জ্বালায়ে দিছে। ঃ  ওনারা ভারতে গেছে, কিন্ত আমি যাই নাই।  টুনির মা কহিল, ঃমাইয়াডা গেল না, ওর বাপ মায় আইছিল। ঃহ-- মায়া ছারুন যায় না। বদরে অনেক বছর ওগো ওহানে থাকলো, আমাগো চাইতে অরাই  বেশী আপন অইয়া গেছে অর।...

তোমার জন্য চিঠি

তোমার জন্য চিঠি,আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থ। অমর একুশে গ্রন্থমেলা২০২১, বইটি পাওয়া যাবে মৃদুল প্রকাশন স্টলে।              —- রুদ্র ম আল-আমিন