সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

আবার যদি জন্ম হয়

আবার যদি জন্ম হয়

Date: October 21, 2019Author: Rudro M Al-Amin 0

“আবার যদি জন্ম হয়”
রুদ্র ম আল-আমিন

আবার যদি জন্ম হয় তবে মানুষ নয়,
কারন, আমি সুখী নই
ধরায় আমায় দেখিয়েছে পথ ভুল পথ
ভুল পথে অবিরত জনে জনে
ডাকে ক্ষনে ক্ষনে
আমাকে করেছে জনে জনে বন্ধি।
উনিশ বছর কেটেছে আমার তাঁর চেনা পথ ধরে জনে জনে সকলই তাই করে,
বাকি উনিশ বছর আমার,,,,
এই পথে দেখা হয় কত সহস্র জনের সাথে
এর মধ্যে একজন এসেছিল ঘরে
তার জীবন ধন্যকরে চলে গেছে পরপারে।
এখানেই দেখা হয় নষ্টা ভ্রষ্টা সতী,,,
কুমারী, আরো কত কি নামে,
উনিশ উনিশ কেটে গেছে কদিন ধরে
এখন নাতি নাতনী নিয়ে অনেকেই খেলা করে
কেউ রা বংশ রক্ষাকারী এখুনো খোজে
আমি তার মাঝামাঝি,,,
একটা অচেনা অতিথি ঘুমের ঘোরে কাঁদে
ক’ফোটা জল আমিও ফেলি
কেন মানুষ হয়ে জন্মালাম আমি, কেন উরন্ত বলাকা নয়?
এই সব প্রশ্নের উত্তর আমায় দেখিয়েছে জনে জনে,,,
তাহা কেন আজো ভুল নয়?
এখুন আরেক উনিশের আগমনী বানী
আমায় নিয়মিত ব্যায়ামে যেতে হয়
মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা, গীর্জায়
কেন এত এত পথ আমার পথে?
আমি কেন মানুষ হলামঃ
কে বিচার করিবে আমার, আমি যে বিচারক কে দেখিনি কখুনো,
কেন দেখা দেয় না, কেন দেখে না সবাই?
আমার চেনা পথ কেঁদে কেঁদে অফুরান
এই পথের শেষ কোথায়?
দেখা যদি হয় ওই পারে তার সনে
জিগাইবো আমি, কোন পথ দেখালে তুমি?
আমি মানুষ হয়ে আর জন্মাবোই না
সবখানে কে যেনো বেধে রাখে আমায়
হাঁস হব, ঘুঘু হবো শেয়াল কু্কুর বানর,,,
যা ইচছে হয় হবো কিন্ত মানুষ নয়।
কেননা, আমি কিচছু করতে পারি না।
সবখানে বন্ধিদশা,,
আমার মত সবাই ভাবে না কেন?
কোথায় আর যেতে পারো বন্ধু,,, খুবকরে
ঘর আর বাহিরের বারান্দায়,এতেই মানুষ হলে,,,

আমি বলাকার ন্যায় ইচছে ঘুরতে চাই
মরে তো যাবই,, তুমিও
যদি তোমার দেখানো পথ নতুন পথ হয়
কোথায় যাবে কার কাছে মানুষের পাশে।
খুব হাসি পেল আমার,,,,
ছিড়ে খাবে, শকুনের মত, ভাগ্যিস শকুন
মানুষ হলে দেখতে
বন্ধু, এ জন্মে আমিও মানুষ
আবার জন্ম হলে কি হতে চাও আমায় কিন্ত বলে যেও,,
কারন, আমি তোমার সাথে থাকতে পারি।
April 25.2018

https://kagoj24/ আবার যদি জন্ম হয়/posts/735030220219378

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ঝরাপাতায় তুমি

ঝরাপাতায় তুমি        রুদ্র ম আল-আমিন বাতায়নে শুনি মর্মর পাতার ধ্বনি তবু রাত জেগে  একলা অপেক্ষায় থাকি, যদি এসে তুমি ফিরে যাও মোর জানালার গ্রিল খানি ধরি। সারা দিনমান ভরি বাঁকের বাড়িটির চারধারে দেখি সখিদের নিয়ে করো কানাকানি । মনাদের বাড়ি একটা উল্কির রুমাল রেখেছো আমায় দেবার তরি ভালবাসো ইহা তো বলতেই পারো না তবে কেন এবাড়ি ওবাড়ি রোজই বলো, আমি তাঁর ঘরে যাবো রাত্রি দ্বিপ্রহর হোলি। রাত গভীরে হঠাৎ হঠাৎ পায়ের আওয়াজ শুনি, মনে হয়, এই বুঝি তুমি এলে না হলে, আর কে-বা আসবে মোর বাড়ি। আলগোছে দোর খুলিয়া দেখি নিমতলে পরে থাকে ক’টা ঝরাপাতার ধ্বনি। উঠোনে দাড়াইয়া আনমনে চেয়ে থাকি তোমার জানালার ধারি বন্ধ কপাট কবু খুলতে দেখিনি মোর পায়ের আওয়াজ শুনি। ভালবাসি ভালোবাসি, কবে শুনবো তোর মুখখানা ধরি আমি যে রোজ অপেক্ষায় থাকি। মনা! আমি কি ফের ফিরে পাবো, তাঁর ভালবাসাখানি? November 14. 2020 Advertisements

উপ-৮

১০৫ ইয়াজ্জাদের এখন সুসময়, লোকজনের কাছে সময়টা এখন মুক্তিযুদ্ধ, আর ওদের জন্য এই সময়টা হচ্ছে আখের গোছানো।এরা নদীপথে নৌকা নিয়ে ওৎপেতে বসে থাকে,অপরিচিত  নৌকায় লোকজন দেখলেই তাহাদের সর্বশ্য কাড়িয়া নেয়।  রমা,বদর এবং টুনি রাত্রিতে খাওয়া দাওয়া শেষে মায়ের মুখে  নানার বাড়ি মাটিকাটার গল্প শুনতেছিল।হঠাৎই বাড়ির বাহিরে বাজানের কন্ঠ শোনা যায়।টুনি বলল, ঃমা- বাজানে আইছে। বদর দ্রত ঘর থেকে বের হল। বাজানের নিকট দাঁড়াতেই সে কহিল, ঃ মাটিকাটা আর মানুষ নাইরে বাবা, গ্রাম ফাঁকা অইয়ে গেছে।পাকবাহিনী শয়ে শয়ে মানুষরে গুলি কইরা মারতাছে।  টুনি বাবার হাত ধরে এগিয়ে চলল বাড়ির উঠোনে।এরপর, মা বদনায় পানি দিল অজুর জন্য। রমা কোন কথা কহিতে সাহস পাইতেছিল না।  বাবার জন্য গামছা নিয়ে তাহার পাশেই দাঁড়িয়ে রইল।অজু শেষ করেই জিজ্ঞেস করিল, ঃতুমি এহানে কবে আইছো?তোমার মায় বাপে কোনে?তোমগোর গেরাম তো শুনছি জ্বালায়ে দিছে। ঃ  ওনারা ভারতে গেছে, কিন্ত আমি যাই নাই।  টুনির মা কহিল, ঃমাইয়াডা গেল না, ওর বাপ মায় আইছিল। ঃহ-- মায়া ছারুন যায় না। বদরে অনেক বছর ওগো ওহানে থাকলো, আমাগো চাইতে অরাই  বেশী আপন অইয়া গেছে অর।...

তোমার জন্য চিঠি

তোমার জন্য চিঠি,আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থ। অমর একুশে গ্রন্থমেলা২০২১, বইটি পাওয়া যাবে মৃদুল প্রকাশন স্টলে।              —- রুদ্র ম আল-আমিন