সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বৃক্ষের পত্রঝরা দিনে

বৃক্ষের পত্রঝরা দিনে
রুদ্র ম আল-আমিন

এমনই বৃক্ষের পত্রঝরা দিনে,,,
ক’টা শেফালিকা এনেছিলে আমায় দেবার তরে।
তোমার নরম হাতের ছোয়া
যাহা আজো ভুলিবার নহে।
খোঁপায় দুলিছে তোর হিমঝুরি,তখুন আমি
তাহা লয়ে কেবলই নিমগ্ন রহি।
ঝিলের ধারে একখানা কুঁড়ে ঘরে
আপন মনে কাটাইতাম নিজেকে বেশ করে।
তোকে দেখেই সেইপ্রথম প্রেম জাগিল মনে।
হঠাৎ-ই দেখি,,,
শরতের কাঁশ ফুল গা ঘেষে দাড়িয়ে রহে।
কাঁশফুলে,
তোকে বরন করিবার তরে,,,,
কাঁশের নরম ছোয়া,,,
তোর কপোল বেয়ে বক্ষ ভিজিয়ে দিয়াছিলাম সেইদিন তবে।
এরপর আর দেখা হয়নি তোর সাথে।
শরৎ তুই আর একবার ডেকে দে না
তোরই মতো করে,,,।
October 06.2019

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ঝরাপাতায় তুমি

ঝরাপাতায় তুমি        রুদ্র ম আল-আমিন বাতায়নে শুনি মর্মর পাতার ধ্বনি তবু রাত জেগে  একলা অপেক্ষায় থাকি, যদি এসে তুমি ফিরে যাও মোর জানালার গ্রিল খানি ধরি। সারা দিনমান ভরি বাঁকের বাড়িটির চারধারে দেখি সখিদের নিয়ে করো কানাকানি । মনাদের বাড়ি একটা উল্কির রুমাল রেখেছো আমায় দেবার তরি ভালবাসো ইহা তো বলতেই পারো না তবে কেন এবাড়ি ওবাড়ি রোজই বলো, আমি তাঁর ঘরে যাবো রাত্রি দ্বিপ্রহর হোলি। রাত গভীরে হঠাৎ হঠাৎ পায়ের আওয়াজ শুনি, মনে হয়, এই বুঝি তুমি এলে না হলে, আর কে-বা আসবে মোর বাড়ি। আলগোছে দোর খুলিয়া দেখি নিমতলে পরে থাকে ক’টা ঝরাপাতার ধ্বনি। উঠোনে দাড়াইয়া আনমনে চেয়ে থাকি তোমার জানালার ধারি বন্ধ কপাট কবু খুলতে দেখিনি মোর পায়ের আওয়াজ শুনি। ভালবাসি ভালোবাসি, কবে শুনবো তোর মুখখানা ধরি আমি যে রোজ অপেক্ষায় থাকি। মনা! আমি কি ফের ফিরে পাবো, তাঁর ভালবাসাখানি? November 14. 2020 Advertisements

কবিতা যৌবনের কথা

যৌবনের কথা"         রুদ্র ম আল-আমিন একখনড দামী কাগজে,,,, লিখছি আমার যৌবনের কথা,,, বলছি আমার প্রেয়সীর ঊদর মনের যন্ত্রবার কথা যৌবন অহর্নিশ বারেবারে খুজে ফেরে কখুনো সাদা  সারসের...

উপ-৮

১০৫ ইয়াজ্জাদের এখন সুসময়, লোকজনের কাছে সময়টা এখন মুক্তিযুদ্ধ, আর ওদের জন্য এই সময়টা হচ্ছে আখের গোছানো।এরা নদীপথে নৌকা নিয়ে ওৎপেতে বসে থাকে,অপরিচিত  নৌকায় লোকজন দেখলেই তাহাদের সর্বশ্য কাড়িয়া নেয়।  রমা,বদর এবং টুনি রাত্রিতে খাওয়া দাওয়া শেষে মায়ের মুখে  নানার বাড়ি মাটিকাটার গল্প শুনতেছিল।হঠাৎই বাড়ির বাহিরে বাজানের কন্ঠ শোনা যায়।টুনি বলল, ঃমা- বাজানে আইছে। বদর দ্রত ঘর থেকে বের হল। বাজানের নিকট দাঁড়াতেই সে কহিল, ঃ মাটিকাটা আর মানুষ নাইরে বাবা, গ্রাম ফাঁকা অইয়ে গেছে।পাকবাহিনী শয়ে শয়ে মানুষরে গুলি কইরা মারতাছে।  টুনি বাবার হাত ধরে এগিয়ে চলল বাড়ির উঠোনে।এরপর, মা বদনায় পানি দিল অজুর জন্য। রমা কোন কথা কহিতে সাহস পাইতেছিল না।  বাবার জন্য গামছা নিয়ে তাহার পাশেই দাঁড়িয়ে রইল।অজু শেষ করেই জিজ্ঞেস করিল, ঃতুমি এহানে কবে আইছো?তোমার মায় বাপে কোনে?তোমগোর গেরাম তো শুনছি জ্বালায়ে দিছে। ঃ  ওনারা ভারতে গেছে, কিন্ত আমি যাই নাই।  টুনির মা কহিল, ঃমাইয়াডা গেল না, ওর বাপ মায় আইছিল। ঃহ-- মায়া ছারুন যায় না। বদরে অনেক বছর ওগো ওহানে থাকলো, আমাগো চাইতে অরাই  বেশী আপন অইয়া গেছে অর।...