সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

রক্তভেজা ছেঁড়া সার্ট"

" রক্তভেজা ছেঁড়া সার্ট"
            রুদ্র ম আল-আমিন

মা, ঐখানে বাজানে ঘুমায়ে রয়
ঐখানে দিদি:
রাত্রী হ'লে আমি ক্যান ঘুমাতে পারি না বাজান দিদিকে ছেড়ে?
শুনেছি বাজানের মেলা শত্রু ছিল,
একদিন আমি, চিনিব তাহাদের কেমন করে?
বাজানের রক্তভেজা ছেঁড়া সার্ট
তুমি দ্যাখোনি সে সব,,,
জানো, আমি দেখেছি বাজানের মন্ডু
যেন আমায় আজো বলিতেছে
ছাড়িস না বাবা, ছাড়িস না তুই ওদের।
মা! ওরা কারা ছিল?
দিদি, সারারাত গল্প শোনাতো,
ঘুমের ঘোরে চিৎকার করতাম, বলতামঃ
দি-দি-দি--দি----
আমার সেই দিদি
আজ ঝোপের ধারে শুয়ে থাকে
মা, আমিও থাকতে চাই দিদির পাশে?
শকুনেরা ছিঁড়ে খেল দিদির দেহ
বিবস্র দিদি উঠোনের কোলে
বলো মা এই সব আমি ভুলিব কি করে?
কাকা, নির্বাক কন্ঠে
বাজানের নিথর দেহটার পাশে তখুন।
সেদিন আমার বাকরুদ্ধ!
বলো মা,মাঝরাতে তুমি ক্যান সেইদিন মামা বাড়ি গেলে?
02February 2019





মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

রুদ্র ম আল-আমিন এর কবিতা, মাতাল

  " মাতাল "       রুদ্র ম আল-আমিন যদি আজি শিক্ষিত না হয়ে মূর্খ হতাম,,, তবে প্রতিরাতে মদ খেয়ে মাতলামি করিয়া যেতাম। রাত্রী হলেই হয়তো বুদ হয়ে থাকিতাম তোদের মাঝে। গায়ের গায়ের কাপড় ...

উপ-৮

১০৫ ইয়াজ্জাদের এখন সুসময়, লোকজনের কাছে সময়টা এখন মুক্তিযুদ্ধ, আর ওদের জন্য এই সময়টা হচ্ছে আখের গোছানো।এরা নদীপথে নৌকা নিয়ে ওৎপেতে বসে থাকে,অপরিচিত  নৌকায় লোকজন দেখলেই তাহাদের সর্বশ্য কাড়িয়া নেয়।  রমা,বদর এবং টুনি রাত্রিতে খাওয়া দাওয়া শেষে মায়ের মুখে  নানার বাড়ি মাটিকাটার গল্প শুনতেছিল।হঠাৎই বাড়ির বাহিরে বাজানের কন্ঠ শোনা যায়।টুনি বলল, ঃমা- বাজানে আইছে। বদর দ্রত ঘর থেকে বের হল। বাজানের নিকট দাঁড়াতেই সে কহিল, ঃ মাটিকাটা আর মানুষ নাইরে বাবা, গ্রাম ফাঁকা অইয়ে গেছে।পাকবাহিনী শয়ে শয়ে মানুষরে গুলি কইরা মারতাছে।  টুনি বাবার হাত ধরে এগিয়ে চলল বাড়ির উঠোনে।এরপর, মা বদনায় পানি দিল অজুর জন্য। রমা কোন কথা কহিতে সাহস পাইতেছিল না।  বাবার জন্য গামছা নিয়ে তাহার পাশেই দাঁড়িয়ে রইল।অজু শেষ করেই জিজ্ঞেস করিল, ঃতুমি এহানে কবে আইছো?তোমার মায় বাপে কোনে?তোমগোর গেরাম তো শুনছি জ্বালায়ে দিছে। ঃ  ওনারা ভারতে গেছে, কিন্ত আমি যাই নাই।  টুনির মা কহিল, ঃমাইয়াডা গেল না, ওর বাপ মায় আইছিল। ঃহ-- মায়া ছারুন যায় না। বদরে অনেক বছর ওগো ওহানে থাকলো, আমাগো চাইতে অরাই  বেশী আপন অইয়া গেছে অর।...

রুদ্র ম আল-আমিন এর কবিতা মনে পড়ে সেই ভোরবেলা

            " মনে পড়ে সেই ভোরবেলা "                               রুদ্র ম আল-আমিন মনে পড়ে ,সেই ভোরবেলা, মিষ্টি মিষ্টি প্রেম, কত কথা,কত গল্প,  কত কি লিখি, তোমার কি মনে পড়ে? দূর্বাঘ...