সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

হাতখানি ধরে নিমন্ত্রণ চাহিয়া

" হাতখানি ধ'রে নিমন্ত্রণ চাহিয়া "
                      রুদ্র ম আল-আমিন

হাতখানি ধ'রে  নিমন্ত্রণ চাহিয়া একদা চোক্ষের জল ফেলে।
প্রতিমা জানে না,,
কেন অমন করিয়া অধরা কাঁদিয়া বেড়ায়
রোজ রোজ তাহার ঘরে?
রথযাত্রায় পরিচিতিপ্রাপ্ত হইবার কালে দুদন্ড কথা কহিতেই
প্রতিমা বেহুশা হইলো রথখোলার মাঠে।
ধম্ম ধম্মান্ধ তীর্থপটে
প্রতিমা কাতর হইয়া ভাবিতে থাকে
লাজনম্র জানিতো তাহারে বহুকাল ধরে।
অধরাকে দান কি করিয়া প্রান,
দেবে আজি অন্যের বোনা জালে।
সন্ধের শাখ বাজিবার তরে
রথযাত্রা সাঙগ হইয়া তখুন যে যার ঘরে।
কি কথা কহিল অধরা
বাড়িসুদ্ধ লোকেরা ইহার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষনে মরে।
হৈচৈ বাধিল দুগাঁয়ের ছেলেবুড়ো মিলে
রাত্রীগভীর হইয়া মিটিমিটি তারা জ্বলিবার কালে
বিভেদ চুকিয়া গেলো সবে।
বাঁধসাদিল প্রতিমা সকলেরে মিনতি করে,
কিন্ত সেইরাত্রেই
অধরা রাজ্যজয়ের আনন্দ বিরাগভাজন করিল ঢোলডাঙগর লয়ে।
প্রতিমা আজো খুজিয়া ফেরে,,
একদা অভীষ্ট মনোবাসনা পূর্ন করিবার লাগি,,
মাঝবয়সী এই নমনীয়া,
হয়তো ধর্ম্মান্ধ ব'লে
সকলেই তাহারে সেইদিন  দিয়েছিল ফাঁকি যে।
July 20.2019

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ঝরাপাতায় তুমি

ঝরাপাতায় তুমি        রুদ্র ম আল-আমিন বাতায়নে শুনি মর্মর পাতার ধ্বনি তবু রাত জেগে  একলা অপেক্ষায় থাকি, যদি এসে তুমি ফিরে যাও মোর জানালার গ্রিল খানি ধরি। সারা দিনমান ভরি বাঁকের বাড়িটির চারধারে দেখি সখিদের নিয়ে করো কানাকানি । মনাদের বাড়ি একটা উল্কির রুমাল রেখেছো আমায় দেবার তরি ভালবাসো ইহা তো বলতেই পারো না তবে কেন এবাড়ি ওবাড়ি রোজই বলো, আমি তাঁর ঘরে যাবো রাত্রি দ্বিপ্রহর হোলি। রাত গভীরে হঠাৎ হঠাৎ পায়ের আওয়াজ শুনি, মনে হয়, এই বুঝি তুমি এলে না হলে, আর কে-বা আসবে মোর বাড়ি। আলগোছে দোর খুলিয়া দেখি নিমতলে পরে থাকে ক’টা ঝরাপাতার ধ্বনি। উঠোনে দাড়াইয়া আনমনে চেয়ে থাকি তোমার জানালার ধারি বন্ধ কপাট কবু খুলতে দেখিনি মোর পায়ের আওয়াজ শুনি। ভালবাসি ভালোবাসি, কবে শুনবো তোর মুখখানা ধরি আমি যে রোজ অপেক্ষায় থাকি। মনা! আমি কি ফের ফিরে পাবো, তাঁর ভালবাসাখানি? November 14. 2020 Advertisements

উপ-৮

১০৫ ইয়াজ্জাদের এখন সুসময়, লোকজনের কাছে সময়টা এখন মুক্তিযুদ্ধ, আর ওদের জন্য এই সময়টা হচ্ছে আখের গোছানো।এরা নদীপথে নৌকা নিয়ে ওৎপেতে বসে থাকে,অপরিচিত  নৌকায় লোকজন দেখলেই তাহাদের সর্বশ্য কাড়িয়া নেয়।  রমা,বদর এবং টুনি রাত্রিতে খাওয়া দাওয়া শেষে মায়ের মুখে  নানার বাড়ি মাটিকাটার গল্প শুনতেছিল।হঠাৎই বাড়ির বাহিরে বাজানের কন্ঠ শোনা যায়।টুনি বলল, ঃমা- বাজানে আইছে। বদর দ্রত ঘর থেকে বের হল। বাজানের নিকট দাঁড়াতেই সে কহিল, ঃ মাটিকাটা আর মানুষ নাইরে বাবা, গ্রাম ফাঁকা অইয়ে গেছে।পাকবাহিনী শয়ে শয়ে মানুষরে গুলি কইরা মারতাছে।  টুনি বাবার হাত ধরে এগিয়ে চলল বাড়ির উঠোনে।এরপর, মা বদনায় পানি দিল অজুর জন্য। রমা কোন কথা কহিতে সাহস পাইতেছিল না।  বাবার জন্য গামছা নিয়ে তাহার পাশেই দাঁড়িয়ে রইল।অজু শেষ করেই জিজ্ঞেস করিল, ঃতুমি এহানে কবে আইছো?তোমার মায় বাপে কোনে?তোমগোর গেরাম তো শুনছি জ্বালায়ে দিছে। ঃ  ওনারা ভারতে গেছে, কিন্ত আমি যাই নাই।  টুনির মা কহিল, ঃমাইয়াডা গেল না, ওর বাপ মায় আইছিল। ঃহ-- মায়া ছারুন যায় না। বদরে অনেক বছর ওগো ওহানে থাকলো, আমাগো চাইতে অরাই  বেশী আপন অইয়া গেছে অর।...

তোমার জন্য চিঠি

তোমার জন্য চিঠি,আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থ। অমর একুশে গ্রন্থমেলা২০২১, বইটি পাওয়া যাবে মৃদুল প্রকাশন স্টলে।              —- রুদ্র ম আল-আমিন